
হজ ব্যবস্থাপনায় ইন্দো-মালয়েশিয়ার মডেল গ্রহণ করলে বাংলাদেশে স্বল্প আয়ের মানুষও সহজে হজ পালনের সুযোগ পাবে বলে মন্তব্য করেছেন ধর্মবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ. ফ. ম. খালিদ হোসেন।
মঙ্গলবার ঢাকার অফিসার্স ক্লাবে ‘সহজ ফাইন্যান্সিং ও সাশ্রয়ী হজ ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি বলেন, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ায় চালু থাকা ক্ষুদ্র সঞ্চয়ভিত্তিক হজ মডেল বাংলাদেশে চালু করা গেলে সাধারণ মানুষের জন্য হজযাত্রা আরও সহজ হবে।
উপদেষ্টা জানান, এই মডেলে আগ্রহী হজযাত্রীরা নির্দিষ্ট সময় ধরে ক্ষুদ্র সঞ্চয় জমা করেন এবং সেই সঞ্চিত অর্থ থেকে হজের খরচ মেটানো হয়। এতে মধ্য ও নিম্ন আয়ের মানুষ দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে হজে যেতে সক্ষম হন।
তিনি আরও বলেন, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে কেবল ধর্মীয় দায়িত্ব পালনের সুযোগই বাড়বে না, দেশের অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। ব্যাংকিং সেক্টর ও সঞ্চয় সংস্কৃতির প্রসার ঘটবে, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে।
সেমিনারে অংশগ্রহণকারী ইসলামিক অর্থনীতি বিশেষজ্ঞরা বলেন, হজ সঞ্চয় স্কিম বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও শরিয়াহ সম্মত নীতিমালা নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য একটি কার্যকর তদারকি কাঠামো গড়ে তোলার প্রস্তাব দেন তারা।
সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, প্রস্তাবিত মডেল নিয়ে সরকারের ভেতরে আলোচনা চলছে। প্রাথমিকভাবে একটি খসড়া নীতি তৈরি করে তা পরীক্ষামূলকভাবে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে।