নোটিশ:
শিরোনামঃ
জনসমাগমের আয়োজনে নিরাপত্তা: আনুষ্ঠানিকতার সঙ্গে চাই কার্যকর প্রস্তুতি কুড়িগ্রামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতির স্বপ্ন বাস্তবায়নে চাই গবেষণা ও দক্ষতার সেতুবন্ধ এআই ও সেমিকন্ডাক্টর খাতে প্রবাসী দক্ষতা কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ লন্ডনে ‘চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬’: প্রবাসীদের সাংস্কৃতিক মিলনমেলা প্রবাসী আয়ের প্রবৃদ্ধি: পরিবারগুলোর প্রাপ্তি নিশ্চিত করাই মূল লক্ষ্য কাতারের উত্তরে ট্যাংকারে দুটি অজ্ঞাত বস্তুর আঘাত: ইউকেএমটিও আশুলিয়ায় বেতন আন্দোলনে শতাধিক পোশাক কারখানার কার্যক্রম স্থগিত প্রবাসী আয় ১৪.২ শতাংশ বেড়ে ১২.১১ বিলিয়ন ডলার: বাংলাদেশ ব্যাংক যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয়, বৈশ্বিক বাজারে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সহিংসতা, ৫০ শিক্ষার্থী হাসপাতালে ভর্তি

সাবাস বাংলাদেশ ডেস্ক
  • আপডেট সময় রবিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৫
  • ২৭৬ বার দেখা হয়েছে
Capture

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ৫০ শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সোমবার রাত ১২টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও আশপাশ এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে স্থানীয় প্রশাসন।

আহতদের মধ্যে অনেকের মাথায় আঘাত লেগেছে, কারও হাত-পা ভেঙেছে, আবার কেউ অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে শয্যাশায়ী হয়ে পড়েছেন। চমেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আহত ৫০ শিক্ষার্থীকে ক্যাজুয়ালটি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে।

চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তসলিম উদ্দিন বলেন, “চবির ৫০ শিক্ষার্থী ভর্তি আছেন। তাদের বেশিরভাগের মাথায় আঘাত। সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে।”

চমেকে ভর্তি দর্শন বিভাগের শিক্ষার্থী চন্দনা রানি অভিযোগ করেন, “শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। মাথা থেকে প্রচুর রক্ত ঝরছে।” ইতিহাস বিভাগের ছাত্রী শবনম বলেন, “আমাদের দিকে স্থানীয়রা একসাথে ইট ছুড়তে থাকে। মাথায় আঘাত পেয়ে চোখে অন্ধকার দেখি। পরে বন্ধুরা আমাকে হাসপাতালে নিয়ে আসে।”

চবি মেডিকেল সেন্টারের চিকিৎসক ডা. মুহাম্মদ টিপু সুলতান জানান, “শতাধিক শিক্ষার্থী চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে গুরুতর আহতদের আমরা চমেকে পাঠিয়েছি। বেশির ভাগের মাথায় আঘাত।”

চমেক হাসপাতালের চিকিৎসকেরা জানান, শনিবার রাত ও রোববার দুপুর মিলিয়ে আহত হয়ে আসা শিক্ষার্থীদের ভিড়ে জরুরি বিভাগ কার্যত অচল হয়ে পড়ে। দ্রুত তাদের সেলাই, এক্স–রে ও প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

হাসপাতালে ভর্তি থাকা শিক্ষার্থীদের স্বজনরা অভিযোগ করেছেন, বারবার হামলার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কার্যকর ভূমিকা নিতে ব্যর্থ হয়েছে। তাদের দাবি, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT