বাংলাদেশি ডাক্তারদের অবিস্মরণীয় সাফল্য : বিশেষ প্রতিবেদন-৪ - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
বালিয়াকান্দিতে জমি বিরোধের তদন্তে অনিয়মের অভিযোগ, পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ গ্রিস উপকূলে উদ্ধার ২০২ অভিবাসী, বেশিরভাগই বাংলাদেশি মক্কায় সৌদি, পাকিস্তান ও তুরস্কের ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা চুক্তি, একজনের ওপর হামলা মানেই তিন দেশের ওপর হামলা নেত্রকোনার বড় বাজারে ভয়াবহ আগুন, পুড়ছে ৫ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান; নিয়ন্ত্রণে ৭ ইউনিটের প্রাণপণ চেষ্টা সাকিবের দেশে ফেরা ও জাতীয় দলে ফেরার সম্ভাবনা নেই, ইঙ্গিত ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ফেসবুকে যুক্ত হলো বিকাশ, সহজ হলো ডিজিটাল পেমেন্ট বৃষ্টি উপেক্ষা করে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে’ দর্শনার্থীদের ঢল সেমিকন্ডাক্টর খাতে সুখবর, আসছে বিশেষ প্রণোদনা দক্ষিণ কোরিয়ার নজরে বাংলাদেশের পোশাক শিল্প, বড় বিনিয়োগ সম্ভাবনা জলাবদ্ধ এলাকায় কৃষিতে নতুন দিগন্ত: পলি নেট হাউসে বছরে ১০ লাখ পর্যন্ত মানসম্মত চারা উৎপাদন

বাংলাদেশি ডাক্তারদের অবিস্মরণীয় সাফল্য : বিশেষ প্রতিবেদন-৪

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ২১ মার্চ, ২০২৫
  • ১৮১ বার দেখা হয়েছে
বাংলাদেশি ডাক্তারদের অবিস্মরণীয় সাফল্য
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগের একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ট্রমা ম্যানেজমেন্ট। গত ১২ ই মার্চ, ২০২৫ বুধবার একজন রোগী নারায়ণগঞ্জ থেকে “টেটা ইনজুরি” নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরোসার্জারি ভায়োলেট ইউনিটে আসেন।
টেটা সাধারণত দূর থেকে অথবা পানির উপর থেকে মাছ ধরার জন্য ব্যবহৃত একটি ধারালো অস্ত্র। ২৬ বছর বয়সী পুরুষ রোগীটির ডান চোখের নিচ দিয়ে টেটাটি প্রবেশ করে মুখমণ্ডলের হাড় এবং বায়ু কুঠুরি ভেদ করে মস্তিষ্কের মাস্টারগ্লান্ড পিটুইটারির ঠিক নিচে অবস্থান করছিল। সিটি স্ক্যান পরীক্ষার মাধ্যমে মস্তিষ্কের রক্ত সঞ্চালনের প্রধান রক্তনালী ইন্টারনাল ক্যারোটিড আর্টারি থেকে কয়েক মিলিমিটার দূরে এর অবস্থান চিকিৎসকগণ সনাক্ত করেন। প্রসঙ্গত, এই রক্তনালীর ইনজুরিতে রোগীর বেঁচে থাকার সম্ভাবনা অনেকটা শূন্যের কোঠায় পৌঁছায়।
এমন জটিল একটা পরিস্থিতিতে রোগীর সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগ, এনেসথেসিয়া বিভাগ এবং চক্ষু বিভাগ রোগীটির অপারেশনের সিদ্ধান্ত নেয়।
নিউরোসার্জারির সহযোগী অধ্যাপক ও নিউরোসার্জারি ভায়োলেট ইউনিট প্রধান ডা. কানিজ ফাতেমা ইশরাত জাহান (রিফাত)-এর নেতৃত্বে অত্যন্ত জটিল এবং বিপদজনক অপারেশন টি সম্পন্ন করা হয়। ঘন্টাখানেক ধরে চলা অপারেশন টি তে সহায়ক হিসেবে ছিলেন ডা. কাজী ইরফান সোবহান, ডা. গাজী হাবিবুল্লাহ, ডা. শুভ্র সাহা, ডা. হাসান, ডা. পুনম রায় এবং এনেসথেসিয়োলজিস্ট ডা. আল বিরুনী।
কোন রকমের মস্তিষ্কের ইনজুরি, রক্তনালীর ইনজুরি, চোখের ইনজুরি ব্যাতীত অত্যন্ত সফলতার সাথে অপারেশন টি সম্পন্ন হয়। ইমারজেন্সি অপারেশন থিয়েটারের এবং পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ডের সেবিকা বৃন্দ, ওটি স্টাফদের প্রত্যক্ষ সহযোগিতা এবং আন্তরিকতায় রোগীটিকে অপারেশন পরবর্তী যথাসময়ে ওয়ার্ডে প্রেরণ করা সম্ভব হয়। কোন রকম মস্তিষ্ক এবং স্নায়ুর অক্ষমতা ব্যতীত রোগীকে হাসপাতাল থেকে ছুটি প্রদান করা হয়।
ঢাকা মেডিকেল কলেজসহ দেশের সকল সরকারী হাসপাতালে এই ধরণের অত্যন্ত জটিল অপারেশন সম্পুর্ণ বিনামূল্যে করা হয়ে থাকে।
  • দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ এর সর্বশেষ নিউজ পড়তে ক্লিক করুন: সর্বশেষ
  • দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ এর ফেসবুক পেজটি ফলো করুন: dailysabasbd

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT