পাকিস্তানে থাকা ৪.৫২ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ ফেরত আনার উদ্যোগ - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
তারেক রহমান: জুলাই গণ অভ্যুত্থানের শহীদ-আহতদের জন্য নতুন বিভাগ হবে ২০২৬ হজের জন্য হজযাত্রীদের টিকাদান কার্যক্রম শুরু আলিফ হত্যা মামলা- চিন্ময় কৃষ্ণ দাসসহ ৩৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন, বিচার শুরু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতাল: উচ্চপর্যায় বৈঠকে অগ্রগতি ও দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার ২১ জানুয়ারির মধ্যে সিদ্ধান্ত চাইছে আইসিসি, ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ভাগ্য অনিশ্চিত মাগুরার চিত্রা নদী থেকে উদ্ধার মুঘল আমলের তরবারি, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত দক্ষিণ স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা: লাইনচ্যুতি ও সংঘর্ষে নিহত ২১, আহত শতাধিক দীর্ঘ ২৬ বছর পর কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ রিপোর্টার্স ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা জম্মু-কাশ্মীরে বন্দুকযুদ্ধে সাত ভারতীয় সেনা আহত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে বৃদ্ধাঙ্গুলি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের প্রার্থী রুমিন ফারহানাকে তলব

পাকিস্তানে থাকা ৪.৫২ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ ফেরত আনার উদ্যোগ

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় বুধবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৫
  • ৯৭ বার দেখা হয়েছে

স্বাধীনতার আগে অবিভক্ত পাকিস্তানে জমা থাকা প্রায় ৪.৫২ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ ফেরত আনার আনুষ্ঠানিক উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। এই দাবি আগামী ১৭ এপ্রিল ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য বাংলাদেশ-পাকিস্তান পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠকে উত্থাপন করা হবে। উল্লেখযোগ্যভাবে, এটি দুই দেশের মধ্যে গত ১৫ বছর পর প্রথমবারের মতো এমন উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হতে যাচ্ছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্রে জানা গেছে, দাবি করা অর্থের মধ্যে রয়েছে প্রভিডেন্ট ফান্ড, সঞ্চয়পত্র, সরকারি তহবিল এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সহায়তা। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, ১৯৭০ সালের ভোলা ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য পাঠানো ২০ কোটি ডলারের অনুদান, যা প্রথমে ঢাকায় জমা হলেও পরবর্তীতে লাহোরে স্থানান্তর করা হয়। এছাড়া, স্বাধীনতার পর অনেক বাংলাদেশি সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী পাকিস্তান থেকে ফিরে এলেও তাদের জমানো অর্থ ফেরত দেওয়া হয়নি।

বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি পূর্ণাঙ্গ ও সংগঠিত দাবিপত্র প্রস্তুত করেছে। এতে বকেয়া অর্থের বিভিন্ন উৎস ও নির্দিষ্ট অঙ্ক উল্লেখ রয়েছে। গত ২৭ মার্চ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও অর্থ বিভাগের সচিবকে এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নথি দ্রুত পাঠানোর জন্য চিঠি দেয়।

২০১০ সালে সর্বশেষ সচিব পর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশ অবিভক্ত পাকিস্তানের সম্পদে নিজেদের ন্যায্য হিস্যার দাবি তোলে। মন্ত্রণালয়ের নথি অনুযায়ী, জনসংখ্যার ভিত্তিতে বাংলাদেশের অংশীদারিত্ব ছিল ৫৬ শতাংশ, আর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে অবদানের হিসাব অনুযায়ী তা দাঁড়ায় ৫৪ শতাংশে। এমনকি সমতা নীতিতেও বাংলাদেশ কমপক্ষে ৫০ শতাংশ দাবি করার অধিকার রাখে।

বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের এক হিসাব অনুযায়ী, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পর পশ্চিম পাকিস্তান প্রায় ৯০ লাখ টাকা মূল্যের প্রভিডেন্ট ফান্ড আটকে রেখেছিল। যুদ্ধকালীন সময়ে রূপালী ব্যাংকের করাচি শাখায় জমা থাকা ১ কোটি ৫৭ লাখ টাকাও ফেরত দেওয়া হয়নি। পরে পাকিস্তান সরকার সেটিকে শেয়ারে রূপান্তর করলেও কোনো লভ্যাংশ প্রদান করেনি।

এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে, পাকিস্তান সরকারের ইস্যু করা সঞ্চয়পত্র ও বন্ডের দায় বাংলাদেশ সরকার পরিশোধ করলেও তার কোন আর্থিক প্রতিফল পায়নি। এসব দাবির বিস্তারিত বিবরণ ‘স্টেটমেন্ট অব বাংলাদেশ ব্যাংক ক্লেইমস রিসিভেবল ফ্রম স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তান অ্যান্ড গভর্নমেন্ট অব পাকিস্তান’ শিরোনামের প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে।

সুত্র: টিবিএস

 

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT