ধর্ষণের ঘটনায় সালিশ, শাস্তি ছয়টি জুতার বাড়ি ও ৫ হাজার টাকা - দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ
নোটিশ:
শিরোনামঃ
বালিয়াকান্দিতে খাস জমি দখলমুক্ত: ইউপি চেয়ারম্যানের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, উদ্ধার ৩০ শতক সরকারি জমি শোক প্রস্তাবে আবরার-ওসমান হাদি- ফেলানীর নাম চাইলেন নাহিদ ইসলাম সংসদ হবে যুক্তি ও জাতীয় সমস্যা সমাধানের কেন্দ্র—প্রথম অধিবেশনেই তারেক রহমানের ঘোষণা আমেরিকাতেই ইরানের হামলার শঙ্কা! ক্যালিফোর্নিয়ায় ড্রোন আক্রমণের সতর্কতা এফবিআইয়ের ত্রয়োদশ সংসদে প্রথম দিনেই ‘জুলাই সনদ’ ও রাষ্ট্রপতির ভাষণ ঘিরে উত্তাপের আভাস তারেক রহমানের বক্তব্যে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ, আজই স্পিকার নির্বাচন! বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ালো ইরান! যুক্তরাষ্ট্রে খেলতে অস্বীকৃতি স্পেনের বড় ধাক্কা ইসরায়েলকে, রাষ্ট্রদূত স্থায়ীভাবে প্রত্যাহার সংসদ কক্ষে স্পিকারের আসনের ওপরে বসলো কালেমা তাইয়্যেবা পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ব্যারিস্টার নাজির আহমদ ফাউন্ডেশনের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

ধর্ষণের ঘটনায় সালিশ, শাস্তি ছয়টি জুতার বাড়ি ও ৫ হাজার টাকা

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় সোমবার, ১৭ মার্চ, ২০২৫
  • ১৫০ বার দেখা হয়েছে
ধর্ষণের ঘটনায় সালিশ, শাস্তি ছয়টি জুতার বাড়ি ও ৫ হাজার টাকা

কুমিল্লার মুরাদনগরে ছয় বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে বিচারের নামে অভিযুক্তকে ছয়টি জুতার বাড়ি ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

স্থানীয় মাতবরদের সালিশে এই রায় ঘোষিত হলেও ভুক্তভোগীর পরিবার তা মেনে নেয়নি। তবে মাতবররা জোরপূর্বক শিশুটির নানির হাতে জরিমানার টাকা তুলে দেন। একই সঙ্গে পরিবারটিকে হুমকি দেওয়া হয় যে, থানায় অভিযোগ করলে বসতভিটা ছাড়তে হবে।

শিশুটির নানি জানান, ঘটনার পর মাতবরদের জানালে তারা সালিশ ডাকার পরামর্শ দেন এবং পুলিশের কাছে গেলে ক্ষতি হতে পারে বলে ভয় দেখান। এ কারণে ১৫ দিন পর সালিশ বসানো হয়, যেখানে অভিযুক্ত বাবুলকে ছয়টি জুতার বাড়ি ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তবে বাবুলের পরিবার থেকে ক্রমাগত হুমকি দেওয়া হচ্ছে—এ বিষয়ে মুখ খুললে গ্রাম ছাড়তে হবে।

এ ঘটনায় তদন্ত করতে গিয়ে জানা যায়, সালিশের মাধ্যমে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে স্থানীয় ইউপি সদস্যসহ ছয়জন মাতবর বাবুল মিয়ার কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা নেন। তবে সেই অর্থ বণ্টন নিয়ে বিরোধ বাধে। চারজন মাতবর ১ হাজার টাকা করে এবং বাকি দুইজন ৫০০ টাকা করে নেন। অর্থ সমবণ্টন না হওয়ায় একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন মাতবররা।

সালিশে উপস্থিত এক ব্যক্তি জানান, বিচারের পর অভিযুক্ত বাবুল মিয়ার কাছ থেকে ইউপি সদস্য শাহীন মিয়াসহ ছয় মাতবরের জন্য আরও ৫ হাজার টাকা নেওয়া হয়। এর মধ্যে শাহীন, জাফর আলীর ছেলে বাবুল, সৈয়দ আলীর ছেলে বাবুল ও শাহজালাল ১ হাজার টাকা করে নেন এবং কবির ও সাগর পান ৫০০ টাকা করে।

এ বিষয়ে ইউপি সদস্য শাহীন মিয়া বলেন, “সালিশ পরিচালনা করেছেন ছন্দু মিয়া, রেনু মিয়া, সাগর, রাজু ও কবির। তাদের রায়ের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে তার বড় ভাই জুতাপেটা করেন এবং জরিমানার ৫ হাজার টাকা শিশুটির নানির হাতে তুলে দেওয়া হয়।”

এ বিষয়ে মুরাদনগর থানার ওসি জাহিদুর রহমান জানান, এখন পর্যন্ত কেউ থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের করেনি।

  • দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ এর সর্বশেষ নিউজ পড়তে ক্লিক করুন: সর্বশেষ
  • দৈনিক সাবাস বাংলাদেশ এর ফেসবুক পেজটি ফলো করুন: dailysabasbd

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT