নোটিশ:
শিরোনামঃ
এইচএসসির ফলের পতন: দায় খোঁজার চেয়ে শেখার ঘাটতি পূরণ জরুরি কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজে জিপিএ-৫ কমে ৪১, গত বছর ছিল ১১৯ পশ্চিম সাহারায় জাতিসংঘ মিশনের মেয়াদ বাড়ানো নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদে অচলাবস্থা আর্মেনিয়ায় কপ-১৭ সম্মেলনে জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সমঝোতা, অগ্রগতি নিয়ে উদ্বেগ আটলান্টায় কোয়াড পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক, জি-২০ আলোচনার শেষ দিন প্রধানমন্ত্রীর জাপানফেরত ফ্লাইটে ত্রুটি তদন্তে বিমানের চার সদস্যের কমিটি থাইল্যান্ডের বাজারে শুল্ক কমানো ও বাংলাদেশি পণ্য আমদানি বাড়ানোর আহ্বান নারীস্বাস্থ্যসেবা জোরদারে ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগের উদ্যোগ সরকারের অক্টোবরে ডেঙ্গুতে ১৭৩ মৃত্যু, নভেম্বরেও সংক্রমণ অব্যাহত থাকার আশঙ্কা এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাস ৫২.১২ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪০ হাজার ৮৪ জন

কওমি ডিগ্রিধারীদের জন্য কাজী হওয়ার দরজা খুলল; আরও সরকারি খাত উন্মুক্তের দাবি

প্রতিবেদকের ছবি
শিক্ষা ডেস্ক
  • আপডেট সময় রবিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৫০৬ বার দেখা হয়েছে
Screenshot 2025-12-07 154112

কওমি মাদ্রাসার স্বীকৃত ডিগ্রিধারীদের জন্য বড় সুখবর দিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। এখন থেকে কওমি মাদ্রাসার দাওরায়ে হাদিস সনদধারীরা নিকাহ রেজিস্ট্রার (কাজী) পদে আবেদন করতে পারবেন। আগে এ পদে আবেদন করার যোগ্যতা ছিল কেবল আলিম সনদধারীদের।

রোববার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, আইন মন্ত্রণালয় সংশোধিত বিধান অনুযায়ী কওমি স্বীকৃত বোর্ডের দাওরায়ে হাদিস ডিগ্রিধারীদের জন্যও নিকাহ রেজিস্ট্রার হওয়ার সুযোগ উন্মুক্ত করেছে।

ফেসবুক পোস্টে ড. নজরুল লিখেন, “এখন থেকে কওমি মাদ্রাসার স্বীকৃত ডিগ্রিধারীরা নিকাহ রেজিস্ট্রার (কাজী) হতে পারবেন। আগে এই সুযোগ আলিম সনদধারীদের জন্য সীমাবদ্ধ ছিল। আইন মন্ত্রণালয় এই সুযোগ বাড়ানোর জন্য আইন সংশোধন করেছে।”

তিনি আরও বলেন, “আজ থেকে কওমি মাদ্রাসার স্বীকৃত বোর্ড থেকে দাওরায়ে হাদিস সনদধারীরাও এই পদে আবেদন করতে পারবেন।”

আরও বিস্তৃত কর্মক্ষেত্র উন্মুক্তের দাবি

কওমি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এ সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক উন্নয়ন হিসেবে দেখলেও তাদের দাবি, দাওরায়ে হাদিস ডিগ্রিধারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ কেবল ধর্মীয় খাতে সীমাবদ্ধ রাখা উচিত নয়। অনেকেই মনে করছেন—যেভাবে সাধারণ শিক্ষায় স্নাতক বা সমমানধারীরা সরকারি বিভিন্ন সেক্টরে আবেদন করতে পারেন, সেভাবেই কওমি ডিগ্রীধারীদেরও সংশ্লিষ্ট ও উপযুক্ত সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া উচিত।

তাদের যুক্তি, দাওরায়ে হাদিস আজ সরকারিভাবে মাস্টার্স সমমান হিসেবে স্বীকৃত। তাই ইসলামিক স্টাডিজ–সম্পর্কিত সরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান, আরবি–ইসলামিক শিক্ষা বিভাগ, ইসলামিক সংস্কৃতি বোর্ড, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ প্রকল্প, হজ ব্যবস্থাপনা, ওয়াকফ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট পেশাগত ক্ষেত্রেও নিয়োগের দরজা উন্মুক্ত করা প্রয়োজন।

কওমি শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা—আইন উপদেষ্টার ঘোষণার মতোই সরকারের নীতি–সংশোধনের মাধ্যমে কওমি সনদের কর্মক্ষেত্র আরও বিস্তৃত হবে এবং তাদের শিক্ষা–দক্ষতা জাতীয় পরিসরে বড় ভূমিকা রাখতে পারবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT