নোটিশ:
শিরোনামঃ
দাবা অলিম্পিয়াডে গুয়াতেমালাকে হারাল বাংলাদেশ মহেশখালীতে এলএনজি স্থানান্তর শুরু, জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক ফার্মাসিস্টকে ওষুধ বিক্রেতা নয়, স্বাস্থ্যসেবার অংশ হিসেবে দেখতে হবে লন্ডনে ১ নভেম্বর ‘চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬’, ঐতিহ্য-ব্যবসা ও কমিউনিটি ঐক্যে জোর কুবির ভর্তি পরীক্ষা শুরু ৫ ফেব্রুয়ারি এশিয়ান গেমস হকিতে শ্রীলঙ্কাকে ৫-১ গোলে হারাল বাংলাদেশ অপ্রতিমের রুহের মাগফিরাত কামনায় কুবিতে কুরআন খতম ও দোয়া মাহফিল শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যকে আর আড়ালে রাখা যাবে না রাজবাড়ীতে বিদ্যুতের খুঁটি নিয়ে বিরোধ, চার পরিবারের পথ বন্ধের অভিযোগ ইবির আইন অনুষদ থেকে সিভিল জজ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত ১৯ জন

বাংলাদেশের পর পাকিস্তানে গাজার প্রতি সংহতি: ‘লাব্বাইক ইয়া আকসা’ শ্লোগানে মুখরিত করাচির রাজপথ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় সোমবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৫
  • ১৭০ বার দেখা হয়েছে
সংগ্রহীত

ইসরায়েলের অব্যাহত আগ্রাসনের বিরুদ্ধে গাজাবাসীর প্রতি সংহতি জানিয়ে পাকিস্তানের বিভিন্ন শহরে হাজারো মানুষ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেছে। এর আগে বাংলাদেশে ‘মার্চ ফর গাজা’ শীর্ষক এক বিশাল র‌্যালির মাধ্যমে ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানানো হয়।

তুরস্কভিত্তিক সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত রোববার পাকিস্তানের করাচিতে ‘গাজা সংহতি মার্চ’ অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজকদের দাবি, এতে এক লাখেরও বেশি মানুষ অংশগ্রহণ করেন। শহরের অন্যতম প্রধান সড়ক শাহরা-এ-ফয়সাল মানবপ্রবাহে পরিণত হয়। প্রচণ্ড গরমেও অংশগ্রহণকারীরা ফিলিস্তিনের পতাকা ও হামাস নেতাদের ছবি বহন করেন এবং গাজায় চলমান গণহত্যার প্রতিবাদ জানান।

বিক্ষোভকারীরা শহরের বিদ্যুৎ খুঁটিসহ বিভিন্ন স্থানে ফিলিস্তিনের নিহত নেতাদের ছবি ও বিজয়ের বার্তা সম্বলিত পোস্টার টানান। এছাড়া, গাজায় নিহত শিশুদের স্মরণে সাদা কাফনে মোড়ানো পুতুল রাস্তায় সাজিয়ে রাখা হয়, যা উপস্থিত মানুষকে আবেগাপ্লুত করে তোলে।

নারী, পুরুষ, শিশু এবং বিভিন্ন ধর্মের অনুসারীরা—মুসলমান, খ্রিস্টান ও হিন্দু—এই বিক্ষোভে অংশ নেন। তাদের হাতে ছিল “গাজায় বোমা বর্ষণ বন্ধ করো”, “ইসরায়েল নিপাত যাক” এবং “গাজায় গণহত্যা – মুসলিম বিশ্ব লজ্জিত হও” লেখা ব্যানার। শিক্ষার্থীরা ১০০ ফুট দীর্ঘ ফিলিস্তিনি পতাকা বহন করে, যা পুরো মিছিলের দৃষ্টি আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে।

সমবেত জনতা “লাব্বাইক ইয়া গাজা” এবং “লাব্বাইক ইয়া আকসা” শ্লোগানে মুখরিত ছিলেন, যার অর্থ “গাজা, আমরা তোমার পাশে” ও “আল-আকসা, আমরা তোমার পাশে”। জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তানের আমির হাফেজ নাঈম-উর-রহমান বক্তব্যে বলেন, “ফিলিস্তিনিদের সংগ্রাম কখনো স্তব্ধ হবে না।”

এক বিক্ষোভকারী আলি মোস্তাফা বলেন, “করাচি থেকে গোটা পাকিস্তান সবসময় ফিলিস্তিনের পাশে থাকবে।” খ্রিস্টান নেতা ইউনাস সোহান আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোর সমালোচনা করে বলেন, তারা ইসরায়েলের পক্ষে অবস্থান নিয়ে সাধারণ নাগরিকদের ওপর হামলার সুযোগ করে দিচ্ছে।

এদিকে, একই দিনে ইসলামপন্থি রাজনৈতিক দল জমিয়াতে উলামা ইসলাম (জেইউআই) এক ফিলিস্তিন সংহতি সম্মেলনের আয়োজন করে। দলের প্রধান মাওলানা ফজল-উর-রহমান ইসরায়েলকে ‘সন্ত্রাসী রাষ্ট্র’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন এবং যুক্তরাষ্ট্রসহ কিছু ইউরোপীয় দেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধে সহায়তার অভিযোগ তোলেন।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত ৫১ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, যাদের মধ্যে অধিকাংশই নারী ও শিশু।

 

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

https://www.aa.com.tr/en/asia-pacific/tens-of-thousands-flood-streets-of-pakistan-in-solidarity-with-palestinians-/3537320

 

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT