নোটিশ:
শিরোনামঃ
চশমায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ছোঁয়া: সুবিধা, নাকি গোপন নজরদারির ঝুঁকি? অপ্রতিম হত্যার প্রতিবাদে কুবি শিক্ষক সমিতির শোক র‍্যালি ও মানববন্ধন কুবিতে অপ্রতিম হত্যার বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির ধাক্কা সামলাতে এখনই সুরক্ষা পরিকল্পনা দরকার পোশাক কারখানা শীতল রাখার বিনিয়োগ চার বছরের মধ্যে উঠে আসতে পারে: গবেষণা জ্বালানির দাম সর্বোচ্চ ১৭.৪% বাড়ল, ডিজেল লিটারে ১৩৫ টাকা জাতিসংঘে প্রথম ভাষণ দিতে সোমবার নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী হেলথ এশিয়া কনফারেন্সে আন্তর্জাতিক বক্তা তানহা তাবাসসুম ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মৌসুমি অভিযান নয়, বছরজুড়ে প্রস্তুতি চাই এসডিজি অর্জনে সম্মিলিত বৈশ্বিক উদ্যোগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

গোপনে ইসরায়েল থেকে ২.৩ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র কিনছে সংযুক্ত আরব আমিরাত

আন্তর্জাাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৮২ বার দেখা হয়েছে
সংযুক্ত আরব আমিরাত

মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম প্রভাবশালী মুসলিম রাষ্ট্র সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) দখলদার ইসরায়েলের সঙ্গে গোপনে ২ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের একটি বড় অস্ত্র ক্রয় চুক্তি করেছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ২৮ হাজার কোটি টাকা। ফ্রান্সভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ইন্টিলিজেন্স অনলাইন প্রথম এই চুক্তির তথ্য ফাঁস করে।

ফরাসি সংবাদমাধ্যম ইন্টিলিজেন্স অনলাইন-এর বরাতে বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যম দ্য নিউ আরব জানায়, ইসরায়েলের শীর্ষ অস্ত্র উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এলবিট সিস্টেমস–এর সঙ্গে অত্যন্ত গোপনীয়তার মধ্য দিয়ে এই চুক্তিটি সম্পন্ন করেছে আমিরাত।

গত মাসে এলবিট সিস্টেমস ২ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের একটি বড় চুক্তির ঘোষণা দিলেও তখন তারা ক্রেতা দেশের নাম প্রকাশ করেনি। প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বেজালেল মাচলিস সে সময় বলেন, এই চুক্তি তাদের “অনন্য প্রযুক্তিগত সক্ষমতার গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি”।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আমিরাত এলবিটের ‘জে-মিউজিক এয়ারক্রাফট প্রোটেকশন সিস্টেম’-এর উন্নত সংস্করণ কিনছে। এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উন্নত লেজার প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে তৈরি, যা বিমানের দিকে নিক্ষেপ করা সারফেস-টু-এয়ার মিসাইলের সেন্সর নিষ্ক্রিয় করতে সক্ষম। বেসামরিক ও সামরিক—উভয় ধরনের বিমানের সুরক্ষায় এটি ব্যবহৃত হয়।

ইসরায়েলি সরকারের অনুমোদনে একটি যৌথ প্রকল্পের আওতায় এই অত্যন্ত সংবেদনশীল প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি সংযুক্ত আরব আমিরাতেই উৎপাদন করা হবে বলে জানিয়েছে ইন্টিলিজেন্স অনলাইন

চুক্তিটির মেয়াদ আট বছর এবং এটিকে ইসরায়েলের ইতিহাসে দ্বিতীয় বৃহত্তম অস্ত্র রপ্তানি চুক্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির সংবেদনশীলতার কারণে চুক্তির অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এখনও প্রকাশ করা হয়নি।

এ বিষয়ে ওয়াশিংটনভিত্তিক প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক বিলাল সাব লিঙ্কডইনে লিখেছেন, “এটি একটি বিশাল চুক্তি হলেও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ না হওয়ায় বিষয়টি তুলনামূলকভাবে আড়ালে থেকে গেছে।”

এদিকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ও অক্সফাম এই চুক্তির কঠোর সমালোচনা করেছে। তাদের আশঙ্কা, এমন অস্ত্র চুক্তি বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ফেলতে পারে এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও মানবিক আইন লঙ্ঘনের সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরও নিউজ

© কপিরাইট ২০২৪-২০২৫ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: NagorikIT